যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কে বিশ্ববাজারে বাড়ছে অ্যারাবিকা কফির দাম

বিশ্ববাজারে আগস্টে অ্যারাবিকা কফির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। নিউইয়র্কের আইসিই এক্সচেঞ্জে কফির দাম এক মাসে বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি।

বিশ্ববাজারে আগস্টে অ্যারাবিকা কফির দাম উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। নিউইয়র্কের আইসিই এক্সচেঞ্জে কফির দাম এক মাসে বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। দামের এ উল্লম্ফনের পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বৃদ্ধিকে দায়ী করেছে ব্রাজিলের কফি এক্সপোর্টার্স কাউন্সিল সেক্যাফে। খবর রয়টার্স।

সংগঠনটির সভাপতি মার্সিও ফেরেইরা বলেন, ‘‌৬ আগস্ট থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপ করা ৫০ শতাংশ আমদানি শুল্কের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে কফি রফতানি কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বৈশ্বিক কফি বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা।’

তিনি বলেন, ‘আমার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, এ শুল্ক বৃদ্ধি বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। বিশ্বব্যাপী বাড়ছে কফির দাম।’

সাপ্তাহিক লেনদেনের শেষদিন শুক্রবার বেচাকেনার এক পর্যায়ে পণ্যটির অ্যারাবিকা কফির দাম পাউন্ডপ্রতি ৩ ডলার ৭০ সেন্টে পৌঁছে, যা গত আড়াই মাসে সর্বোচ্চ।

বিশ্বের সর্ববৃহৎ কফি উৎপাদন ও রফতানিকারক দেশ ব্রাজিল। দেশটিতে এবারের মৌসুমে প্রত্যাশার তুলনায় কৃষিপণ্যটির উৎপাদন ১০ শতাংশ কমেছে বলে জানান ফেরেইরা। এছাড়া চলতি মাসের শৈত্যপ্রবাহ আগামী বছরের উৎপাদনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শুল্ক বৃদ্ধির ফলে আমদানিকারকরা মধ্য আমেরিকা ও কলম্বিয়ার মতো বিকল্প উৎসের দিকে ঝুঁকছে। তবে এসব উৎস থেকে কেনা কফির জন্য আইসিইর ভবিষ্যৎ সরবরাহ চুক্তির দামের তুলনায় বেশি মূল্য সংযোজন (প্রিমিয়াম) করতে হচ্ছে।

এদিকে ইউরোপ ও এশিয়ার বাজারে ব্রাজিলীয় কফির চাহিদা ‘প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি’ বেড়েছে বলে জানান সেক্যাফে সভাপতি। যদিও ইউরোপে প্রকৃত ভোক্তা চাহিদা তেমন বাড়েনি। ফেরেইরার মতে, জার্মানির মতো দেশগুলো প্রক্রিয়াজাত কফি যুক্তরাষ্ট্রে রফতানি করছে। কারণে ইউরোপীয় পণ্যের ওপর তুলনামূলক কম শুল্ক আরোপ করছে যুক্তরাষ্ট্র।

আরও